শরীয়তপুরের ডামুড্যায় পল্লী চিকিৎসক খোকন চন্দ্র দাসকে (৪৫) নৃশংসভাবে পেট্রোল ঢেলে পুড়িয়ে হত্যার ঘটনায় তিন মূল হোতাকে গ্রেফতার করেছে র্যাব। আজ রোববার (৪ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় মাদারীপুর র্যাব ৮ এর কার্যালয় এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।
প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে র্যাব জানায়, গত ৩১ ডিসেম্বর রাতে খোকন চন্দ্র দাস তার ফার্মেসি ও মোবাইল ব্যাংকিং ব্যবসা বন্ধ করে ৬ লক্ষ টাকা নিয়ে বাড়ি ফিরছিলেন। পথে তিলই এলাকায় আগে থেকে ওঁত পেতে থাকা দুর্বৃত্তরা তার গতিরোধ করে। তারা খোকন চন্দ্র দাস কে এলোপাথাড়ি ছুরিকাঘাত করে এবং এক পর্যায়ে হত্যার উদ্দেশ্যে তার শরীরে পেট্রোল ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেয়। দগ্ধ অবস্থায় গত ৩ জানুয়ারি ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। নিহত খোকন চন্দ্র দাস শরীয়তপুর জেলার ডামুড্ডা থানার তিলই এলাকার মৃত পরেশ দাসের ছেলে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়, চাঞ্চল্যকর এই হত্যাকাণ্ডের পর র্যাব-৮ (মাদারীপুর) ও র্যাব-১৪ (কিশোরগঞ্জ) ছায়া তদন্ত শুরু করে। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শনিবার গভীর রাতে কিশোরগঞ্জের বাজিতপুর থানার পূর্ব পৈলনপুর এলাকায় যৌথ অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন শরীয়তপুর জেলার ডামুড্ডা থানার বাবুল খানের ছেলে মো. সোহাগ খান (২৮), একই থানার আতলাকুড়ি গ্রামের শামসুদ্দিন মোল্লার ছেলে মো. রাব্বি মোল্লা,ও ডামুড্যা থানার গুচ্ছগ্রাম গ্রামের শহীদ সর্দারের ছেলে পলাশ (২৫)।
র্যাব আরও জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃত আসামিরা এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডে সরাসরি জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে। তাদের কাছ থেকে একটি বাটন মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে গ্রেফতারকৃতদের সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তরের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

